মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪ >> উচ্চ রক্তচাপ নিঃসন্দেহে একটি নীরব ঘাতক। হাইপারটেনশন শুধু হার্টের ক্ষতিই করে না, বাড়িয়ে দেয় স্ট্রোকের ঝুঁকিও। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে লিভারও। এই সমস্যাটি ডেকে আনে অকারণে ক্লান্তি, মানসিক চাপ বা বার্ধক্যজনিত নানা অসুখও।
ফ্রন্টিয়ার্স ইন মেডিসিন-এ প্রকাশিত একটি গবেষণার তথ্যানুসারে, উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিদের লিভার ফাইব্রোসিসের ঝুঁকি বেড়ে যায় কয়েক গুণ। এ ছাড়া মেটাবলিজমের সমস্যা থেকে ফ্যাটি লিভার ডিজিজ হতে পারে।
লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে করণীয়
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
লিভারবান্ধব খাবার খান।
নিয়মিত লিভার ফাংশন পরীক্ষা করান।
অসুখের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
সতর্কতা
আপনি যদি বিশ্রাম নেওয়ার পরেও ক্লান্ত বোধ করেন, সর্বদাই অলস বোধ করেন, তাহলে একবার অবশ্যই লিভার পরীক্ষা করান। উচ্চ রক্তচাপ লিভারের কার্যকারিতাকেও প্রভাবিত করতে পারে।
কাজের চাপের ফলেও ক্লান্তি আসতে পারে। তবে স্বাভাবিক ক্লান্তির থেকে এই ক্লান্তি আলাদা।
ব্রেন ফগ-এর সমস্যাও হাইপারটেনশন ও ব্রেন ফগের সঙ্গে সংযুক্ত। পেটের ডানদিকের ওপরের অংশে ব্যথা বাড়লেই সতর্ক থাকুন।
লিভার ফুলে যাওয়া বা এনলার্জমেন্টের ঝুঁকি বাড়তে পারে হাইপারটেনশনের কারণে।
অনেকেই লিভারের সমস্যাকে বদহজম বা গ্যাস বলে ভুল করে। তবে চিকিৎসকরা ব্যথার ধরন দেখেই লিভারের সমস্যার ইঙ্গিত পান। আল্ট্রাসাউন্ডের মতো মেডিকেল ইমেজিং থেকে লিভার এনলার্জমেন্টের সমস্যা ধরা পড়ে। পরীক্ষা করিয়ে নিলে গুরুতর ক্ষতি হওয়ার আগেই চিকিৎসা শুরু করা যায়।
হাইপারটেনশনের রোগীরা যদি ত্বক বা চোখে হালকা হলুদ রঙের আভা দেখেন, তাহলে সতর্ক হতেই হবে। এটাই বিলিরুবিনের মাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত। এটি কিন্তু লিভারের ব্যাধির স্পষ্ট লক্ষণ। উচ্চ রক্তচাপ লিভারের পরিস্থিতি বেশি খারাপ করে। ত্বকের রঙের সামান্য পরিবর্তনও উপেক্ষা করবেন না।
গাঢ় রঙের প্রস্রাব ও ফ্যাকাশে রঙের মল লিভারের ক্ষতির বড় লক্ষণ। গাঢ় রঙের প্রস্রাব মানে উচ্চ বিলিরুবিনের সংকেত। অন্যদিকে ফ্যাকাশে রঙের মলও পিত্তের প্রবাহ ঠিকমতো না-হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।